স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রক্তদান

শেয়ার করুন:

মহান স্বাধীনতা দিবসে রক্তবন্ধুর দুই এডমিনের ১১ তম রক্তদান। কাকতালীয় ভাবে দুইটিরই যোগাযোগ মাধ্যম নজরুল খান (ইনসেটে), একটির কথা জানতেন না তিনি নিজেও!

রক্তবন্ধু মো. শহীদুল্লাহ্। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। খুব ইচ্ছে ছিলো প্লাটিলেট ডোনেট করবেন। রোগীর সন্ধান চেয়ে পোস্টও করেন রক্তবন্ধু গ্রুপে৷ কিন্তু এবি+ প্লাটিলেট লাগবে এমন কোন রোগীর সন্ধান পায়নি ভলান্টিয়াররা। এরই মধ্যে একটা এবি পজিটিভ রক্তের রিকুয়েষ্ট আসে। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত দুই বছরের এক বাচ্চার জন্য ১৫০-২০০ মি.লি রক্ত লাগবে। স্বেচ্ছাসেবী নজরুল খান ভাই শহীদুল্লাহর সাথে যোগাযোগ করেন এবং মহান স্বাধীনতা দিবসে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ১১ তম রক্তদান করে ফেলেন। যদিও পুরো ৪৫০মিলি রক্তই টানানো হয়েছে। রোগীকে শুধু রেড সেল দিতে হবে।

রক্তবন্ধুর আরেক এডমিন সাইদুল ইসলাম। রক্তের গ্রুপ এবি নেগেটিভ। এই রোগীটাও থ্যালাসেমিয়াতে আক্রান্ত। পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে আজ তিনিও ১১তম রক্তদান সম্পন্ন করলেন। কাকতালীয় ভাবে এই রোগীর সন্ধানও দিয়েছিলেন নজরুল খান ভাই কোনো এক সময়। তবে আজকে যে তারই সন্ধান দেয়া রোগীকে রক্তদান করেছেন সাইদুল ইসলাম সেটা তিনি জানতেন না!

পঞ্চগড়ে সাইদুলের এবি নেগেটিভ রক্তদানের সময় হাসপাতালে কিছু স্বেচ্ছাসেবীও উপস্থিত ছিলেন

কীভাবে রোগীর সন্ধান পেলেন জানতে চাইলে সাইদুল ইসলাম বলেন,
“নজরুল ভাইয়ের সাথে ফেসবুকে পরিচয় ২০১৮ সালে। পঞ্চগড় এসে একবার দেখাও করে গিয়েছেন আমার সাথে।
রোগীর ছোট ভাই পঞ্চগড়ে এস.আই পদে চাকরি করেন আর উনার পরিচয় নজরুল ভাইয়ের সাথে আগে থেকেই ছিল এবং এস.আই শাহাদাত হোসেন সজীব নিজেও একজন নিয়মিত এ পজেটিভ রক্তদাতা।
উনার বড় বোনের রক্ত লাগলে নজরুল ভাইকে নক করেছিলেন। ২০১৯ সালের ঘটনা। তখন নজরুল ভাই আমাকে বলেন যে পঞ্চগড়ে এবি নেগেটিভ রক্ত লাগবে দিতে পারবো কিনা। জানালাম দিতে পারবো কারণ সময় হয়েছে রক্তদানের। তখন এসআই সজীব ভাইয়ের সাথে আমাকে ফোনে যোগাযোগ করিয়ে দেন। তারপর থেকেই সেই রোগীকে, কখনো পঞ্চগড়ে, কখনো নীলফামারিতে কখনো বা ডিমলায় গিয়ে রক্ত দিয়ে আসি।”


শেয়ার করুন:

Facebook Comments