লুঙ্গি পরেই ছুটে গেলেন রক্তদানে
Author: রক্তবন্ধু | 29 Aug 2022
রক্তবন্ধুর একজন নিবেদিত প্রাণ ভলান্টিয়ার এবং নিয়মিত রক্তদাতা হাসান মাহমুদ। থাকেন চদ্রা-বাড়ইপাড়ায়।
ছুটিরদিন টংয়ের দোকানে চা পান করছিলেন।
হঠাৎই একটা কল আসে।
তিন মাস আগে গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়েছিলো। হঠাৎ অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হিমোগ্লোবিন কমে গিয়েছে, রোগীর অবস্থা ভালো না। এক্ষুনি এবি+ রক্ত লাগবে। তার নিজেরও রক্তের গ্রুপ এবি পজিটিভ।
রুমে গিয়ে প্যান্টশার্ট পরে যেতে দেরী হয়ে যেতে পারে। পোশাক বড় কথা নয়, সময় মতো রক্তদানই আসল কথা। তাই লুঙ্গি পরেই দৌঁড়ে চলে যান রক্ত দিতে পাশ্ববর্তী একটি ক্লিনিকে। (২৮ আগষ্ট, ২০২২)
- তিনি এখন পর্যন্ত ১৭ বার প্লাটিলেট প্রদান করেছেন। আর এ নিয়ে ১৪ তম হোল ব্লাড ডোনেট করলেন। মোট ৩১ বার।
খুব শীঘ্রই মালেশিয়ায় চলে যাবেন তিনি। আপাতত এটাই খুব সম্ভবত দেশে তার শেষ রক্তদান। প্রবাসে গেলে রক্তদানের খুব একটা সুযোগ, সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা নাও থাকতে পারে। দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশ একজন নিয়মিত রক্তদাতা হারালো।
উল্লেখ্য, পজিটিভ গ্রুপের মধ্যে রেয়ার বা কম যে গ্রুপটি পাওয়া যায় সেটি হলো এবি পজিটিভ গ্রুপের রক্ত।
হাসান ভাইকে দোয়ায় রাখবেন এই প্রত্যাশাই করি।
– রক্তবন্ধু পরিবার।
অন্যান্য পোস্ট সমূহ
একজন রক্তদাতাকে আরেকজন রক্তদাতার রক্তদান
Author: রক্তবন্ধু | 21 Jul 2026
ঢাকায় এ পজিটিভ লাগলেই আমি সবার আগে Pearl Matthew কে কল দেই- সময় হয়ে গেলে সে কখনো না করে না। সেই পার্ল যখন হঠাৎ...
আমার ২১ তম রক্তদান
Author: রক্তবন্ধু | 14 Jul 2026
রোগীর নাম সুজন, পেশায় একজন ভ্যানচালক। থ্যালাসেমিয়া রোগে ছোট থেকেই ভুগতেছে। আমি একজন ব্যবসায়ী এবং নিয়মিত রক্তদান করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি রক্তিম পঞ্চগড় এর...
কারো বেঁচে থাকার মিছিলে আমি আছি
Author: রক্তবন্ধু | 27 Mar 2026
চারদিকে শুধু মৃত্যুর মিছিল আর স্বজন হারানোর আহাজারি—সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই মনটা এক অজানা বিষাদে ভরে ওঠে। খুব অসহায় বোধ করি, মনে মনে ভীষণ আফসোস...
Facebook Comments