ব্লাড ব্যাংকে অভিযান! (ভিডিও সহ)

শেয়ার করুন:

মাদকসেবীদের কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে সাভারে
নিজের ভাড়া বাসায় ব্লাড ব্যাংক খুলে বসেছেন
আব্দুল জলিল নামে এক ব্যক্তি। সেই রক্ত রাজধানীসহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করেন তিনি। দরিদ্র মানুষকে কৌশলে ডেকে অজ্ঞান করেও অনেকের রক্ত সংগ্রহ করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জুন) এ ঘটনায় অভিযুক্ত আব্দুল জলিলকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত আব্দুল জলিল পাবনা জেলার চাটমোহর থানার ইন্তাজ আলীর ছেলে। তিনি সাভারের থানা রোডের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে প্রায় ১ বছর ধরে এই অপকর্ম চালিয়ে আসছেন। তার কাছ থেকে ১০ ব্যাগ রক্ত ও বিপুল পরিমাণ রক্ত সংগ্রহের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

তিনি রাজধানীর কলেজগেটে রেডিয়াম ব্লাড ব্যাংক এন্ড ট্রান্সফিউশন সেন্টার নামে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের বিপরীতে মুক্তিযোদ্ধা টাওয়ার-১ এর তৃতীয় তলায় একটি ব্লাড ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে এভাবে অবৈধ ও অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

এর আগে বুধবার রাত ১০ টার দিকে সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল হোসেন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে শাস্তির আওতায় আনেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সায়েমুল হুদা ও আইনশৃংখলা বাহিনী। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইসমাইল হোসেন জানান, কোনরকম পরীক্ষা এবং ব্লাড গ্রুপিং ছাড়াই তিনি রক্ত সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও সরবরাহ করতেন। অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাকে নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন আইনে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

রক্তবন্ধু পেইজে ভিডিও লিংক: https://fb.watch/llDNEoqacU/?mibextid=Nif5oz

শুধুমাত্র স্বেচ্ছায় রক্তদাতাগণ roktobondhu.com -এ রেজিস্ট্রেশন করুন এবং প্রতিবার রক্তদানের পর ওয়েবসাইটে লগ ইন করে তারিখ আপডেট করে দিন। এতে করে রোগী আপনাকে প্রয়োজন মতো খুঁজে পাবে। রক্তদানের তারিখ আপডেট করে দিলে ১২০ দিন বা ৪ মাস নাম কাটা থাকবে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় কল পেতে হবে না।

 


শেয়ার করুন:

Facebook Comments